নবগ্রামে ফের সামনে এল রাস্তার বেহাল দশার ছবি। রাস্তা আছে, কিন্তু তার বড় অংশই এখন কার্যত মিশে গিয়েছে পুকুরের সঙ্গে!
মুর্শিদাবাদের নবগ্রামে ফের সামনে এল রাস্তার বেহাল দশার ছবি।
রাস্তা আছে, কিন্তু তার বড় অংশই এখন কার্যত মিশে গিয়েছে পুকুরের সঙ্গে! কোথাও ধসে পড়েছে ঢালাই, কোথাও আবার পুকুরের দিকে হেলে পড়েছে রাস্তার অংশ। আর এই বিপজ্জনক রাস্তা দিয়েই প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন কয়েক হাজার মানুষ।
ঘটনাটি নবগ্রামের কীরিটেশ্বরী অঞ্চলের রঘুপুরের বোলতলা এলাকার।
ছবিতে যে রাস্তা দেখতে পাচ্ছেন, সেটিই রঘুপুরের বোলতলার গুরুত্বপূর্ণ যাতায়াতের পথ। দুই পুকুরের মধ্যবর্তী অংশ দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল এই ঢালাই রাস্তা।
স্থানীয়দের দাবি, প্রায় পাঁচ বছর আগে সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সুবিধার জন্য রাস্তা তৈরি করা হয়। কিন্তু অভিযোগ, রাস্তা তৈরির সময় নিচে পর্যাপ্ত মাটি দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি রাস্তার দুই ধারে তৈরি করা হয়নি গার্ডওয়ালও।
ফলে নির্মাণের পর থেকেই রাস্তার একটা বড় অংশ কার্যত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় তিন বছর আগে হঠাৎই ধসে পড়তে শুরু করে রাস্তার ঢালাই। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। বর্তমানে রাস্তার একটা বড় অংশ পুকুরের দিকে হেলে পড়েছে। কোথাও আবার রাস্তার অস্তিত্বও কার্যত হারিয়ে গিয়েছে।
এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করেন পড়ুয়া থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ। কিন্তু বর্তমানে এই পথ পার হওয়াই রীতিমতো ঝুঁকিপূর্ণ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ইতিমধ্যেই এই ভাঙাচোরা রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। যানবাহন নিয়ে যাতায়াত কার্যত অসম্ভব। এমনকি পায়ে হেঁটে রাস্তা পার হওয়ার সময়ও সবসময় আতঙ্কে থাকতে হয় বাসিন্দাদের।
বিকল্প রাস্তা রয়েছে ঠিকই, কিন্তু সেটি অনেকটাই ঘুরপথ। ফলে সময় বাঁচাতে বাধ্য হয়েই এই বিপজ্জনক রাস্তা ব্যবহার করতে হচ্ছে স্থানীয়দের।
অভিযোগ, রাস্তার এই পরিস্থিতির কথা একাধিকবার পঞ্চায়েত এবং ব্লক প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও এখনও মেলেনি কোনও স্থায়ী সমাধান।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন :
“রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। যেকোনও সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আমরা বহুবার জানিয়েছি, কিন্তু এখনও রাস্তা মেরামত হয়নি।”
প্রশ্ন উঠছে, আর কতদিন এভাবেই চলবে? আরও কত মানুষকে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে এই রাস্তা পার হতে হবে?
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত রাস্তার সংস্কার করা হোক এবং পুকুরের দুই পাশে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও গার্ডওয়াল তৈরি করা হোক।
এখন দেখার, মানুষের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে কবে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে উদ্যোগী হয় প্রশাসন।
রাস্তা আছে, কিন্তু তার বড় অংশই এখন কার্যত মিশে গিয়েছে পুকুরের সঙ্গে! কোথাও ধসে পড়েছে ঢালাই, কোথাও আবার পুকুরের দিকে হেলে পড়েছে রাস্তার অংশ। আর এই বিপজ্জনক রাস্তা দিয়েই প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছেন কয়েক হাজার মানুষ।
ঘটনাটি নবগ্রামের কীরিটেশ্বরী অঞ্চলের রঘুপুরের বোলতলা এলাকার।
ছবিতে যে রাস্তা দেখতে পাচ্ছেন, সেটিই রঘুপুরের বোলতলার গুরুত্বপূর্ণ যাতায়াতের পথ। দুই পুকুরের মধ্যবর্তী অংশ দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল এই ঢালাই রাস্তা।
স্থানীয়দের দাবি, প্রায় পাঁচ বছর আগে সাধারণ মানুষের যাতায়াতের সুবিধার জন্য রাস্তা তৈরি করা হয়। কিন্তু অভিযোগ, রাস্তা তৈরির সময় নিচে পর্যাপ্ত মাটি দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি রাস্তার দুই ধারে তৈরি করা হয়নি গার্ডওয়ালও।
ফলে নির্মাণের পর থেকেই রাস্তার একটা বড় অংশ কার্যত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় তিন বছর আগে হঠাৎই ধসে পড়তে শুরু করে রাস্তার ঢালাই। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। বর্তমানে রাস্তার একটা বড় অংশ পুকুরের দিকে হেলে পড়েছে। কোথাও আবার রাস্তার অস্তিত্বও কার্যত হারিয়ে গিয়েছে।
এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করেন পড়ুয়া থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ। কিন্তু বর্তমানে এই পথ পার হওয়াই রীতিমতো ঝুঁকিপূর্ণ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ইতিমধ্যেই এই ভাঙাচোরা রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। যানবাহন নিয়ে যাতায়াত কার্যত অসম্ভব। এমনকি পায়ে হেঁটে রাস্তা পার হওয়ার সময়ও সবসময় আতঙ্কে থাকতে হয় বাসিন্দাদের।
বিকল্প রাস্তা রয়েছে ঠিকই, কিন্তু সেটি অনেকটাই ঘুরপথ। ফলে সময় বাঁচাতে বাধ্য হয়েই এই বিপজ্জনক রাস্তা ব্যবহার করতে হচ্ছে স্থানীয়দের।
অভিযোগ, রাস্তার এই পরিস্থিতির কথা একাধিকবার পঞ্চায়েত এবং ব্লক প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও এখনও মেলেনি কোনও স্থায়ী সমাধান।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন :
“রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। যেকোনও সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আমরা বহুবার জানিয়েছি, কিন্তু এখনও রাস্তা মেরামত হয়নি।”
প্রশ্ন উঠছে, আর কতদিন এভাবেই চলবে? আরও কত মানুষকে প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে এই রাস্তা পার হতে হবে?
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত রাস্তার সংস্কার করা হোক এবং পুকুরের দুই পাশে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও গার্ডওয়াল তৈরি করা হোক।
এখন দেখার, মানুষের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে কবে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে উদ্যোগী হয় প্রশাসন।