কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর পরের দিন পাত্রসায়েরের কুশদ্বীপ গ্রামে জমজমাট নরনারায়ণ সেবা, প্রসাদ গ্রহণ করলেন চৌদ্দ হাজার পুণ্যার্থী
কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর পরের দিন পাত্রসায়েরের কুশদ্বীপ গ্রামে জমজমাট নরনারায়ণ সেবা, প্রসাদ গ্রহণ করলেন চৌদ্দ হাজার পুণ্যার্থী
কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর পরের দিন পাত্রসায়েরের কুশদ্বীপ গ্রামে জমজমাট নরনারায়ণ সেবা, প্রসাদ গ্রহণ করলেন চৌদ্দ হাজার পুণ্যার্থী
বাঁকুড়া:
শারদোৎসবের রেশ কাটতে না কাটতেই কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোকে কেন্দ্র করে ভক্তির প্লাবন দেখা গেল বাঁকুড়া জেলার পাত্রসায়ের ব্লকের কুশদ্বীপ গ্রামে। প্রতি বছরের মতো এবারও কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর পরের দিন এক বিশাল নরনারায়ণ সেবার আয়োজন করা হয় কুশদ্বীপ গ্রাম ষোলআনার পক্ষ থেকে। এই মহাযজ্ঞে গ্রামের সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সহযোগিতায় প্রায় ১৩ থেকে ১৪ হাজার মানুষ খিচুড়ি প্রসাদ গ্রহণ করেছেন।
গ্রামের প্রাচীন ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির প্রতীক এই নরনারায়ণ সেবা পরিচালনা করে 'কুশদ্বীপ গ্রাম সোলোনা কমিটি'। উদ্যোক্তাদের সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছর এই তিথিতে আনুমানিক ১০ থেকে ১২ হাজার মানুষ প্রসাদ গ্রহণ করলেও, এ বছর সেই সংখ্যা ছাড়িয়ে প্রায় ১৩ থেকে ১৪ হাজারে পৌঁছেছে।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো, এই বিশাল আয়োজনের নেপথ্যে রয়েছে গ্রামের আমজনতার সরাসরি ও সক্রিয় অংশগ্রহণ। প্রসাদ রান্না করা থেকে শুরু করে অতিথিদের পরিবেশন এবং সামগ্রিক তদারকি— সব কাজেই জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে গ্রামের কচিকাঁচা থেকে শুরু করে প্রবীণরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে হাত লাগান। গ্রামের মানুষের এমন অতিথিপরায়ণতা ও ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস উপস্থিত সকলের মন জয় করেছে।
লক্ষ্মীপুজোর পরের দিনের এই ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানটি এখন শুধু কুশদ্বীপ গ্রামেই নয়, বরং আশপাশের এলাকার মানুষের কাছেও এক মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। নিখাদ ভক্তি, শৃঙ্খলা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার এই অনন্য নজির আগামী দিনেও বজায় থাকবে বলেই আশাবাদী গ্রামবাসী ও উদ্যোক্তারা।
বাঁকুড়া:
শারদোৎসবের রেশ কাটতে না কাটতেই কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোকে কেন্দ্র করে ভক্তির প্লাবন দেখা গেল বাঁকুড়া জেলার পাত্রসায়ের ব্লকের কুশদ্বীপ গ্রামে। প্রতি বছরের মতো এবারও কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর পরের দিন এক বিশাল নরনারায়ণ সেবার আয়োজন করা হয় কুশদ্বীপ গ্রাম ষোলআনার পক্ষ থেকে। এই মহাযজ্ঞে গ্রামের সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সহযোগিতায় প্রায় ১৩ থেকে ১৪ হাজার মানুষ খিচুড়ি প্রসাদ গ্রহণ করেছেন।
গ্রামের প্রাচীন ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির প্রতীক এই নরনারায়ণ সেবা পরিচালনা করে 'কুশদ্বীপ গ্রাম সোলোনা কমিটি'। উদ্যোক্তাদের সূত্রে জানা গেছে, প্রতি বছর এই তিথিতে আনুমানিক ১০ থেকে ১২ হাজার মানুষ প্রসাদ গ্রহণ করলেও, এ বছর সেই সংখ্যা ছাড়িয়ে প্রায় ১৩ থেকে ১৪ হাজারে পৌঁছেছে।
সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো, এই বিশাল আয়োজনের নেপথ্যে রয়েছে গ্রামের আমজনতার সরাসরি ও সক্রিয় অংশগ্রহণ। প্রসাদ রান্না করা থেকে শুরু করে অতিথিদের পরিবেশন এবং সামগ্রিক তদারকি— সব কাজেই জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে গ্রামের কচিকাঁচা থেকে শুরু করে প্রবীণরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে হাত লাগান। গ্রামের মানুষের এমন অতিথিপরায়ণতা ও ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস উপস্থিত সকলের মন জয় করেছে।
লক্ষ্মীপুজোর পরের দিনের এই ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানটি এখন শুধু কুশদ্বীপ গ্রামেই নয়, বরং আশপাশের এলাকার মানুষের কাছেও এক মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। নিখাদ ভক্তি, শৃঙ্খলা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার এই অনন্য নজির আগামী দিনেও বজায় থাকবে বলেই আশাবাদী গ্রামবাসী ও উদ্যোক্তারা।