राजनीति
বিজেপি নেতা কৌস্তভ বাগচীর ব্যারাকপুরের ঘটনায় তৃণমূলীকরণ ও দলীয় নীতি নিয়ে মন্তব্য
কৌস্তভ বাগচী ব্যারাকপুরে ঘটিত ঘটনায় দলের তৃণমূলীকরণ না করার আহ্বান জানিয়ে দলের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক সমস্যার ওপর মতামত প্রকাশ করেছেন।
বিজেপি নেতা কৌস্তভ বাগচী সম্প্রতি ব্যারাকপুরে ঘটিত ঘটনায় দলের তৃণমূলীকরণ না করার গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। তিনি জানিয়েছেন, “আমার পার্টি অফিসে আমি আসবো না তো কে আসবে?” এবং তৃণমূলীকরণ রোধে দলের অভ্যন্তরে ও বাইরে দু'দিক থেকেই কথা বলেছেন।
বাগচী বলেন, দলের মধ্যে কথা না শোনালে তিনি বাহিরে গিয়ে কথা বলতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি একবার দলের দপ্তরের বাইরে গিয়ে গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন, তবে তা কোনো ক্ষোভের প্রকাশ নয়; বরং কিছু ব্যক্তি দলের নাম ব্যবহার করে কাজ করছেন, এটাই তিনি উল্লেখ করেছেন।
ব্যারাকপুরে যে পরিস্থিতি ছিল, তা তিনি “কিছু লোক বিজেপি সাজার চেষ্টা করছে, ফ্যান্সি ড্রেস কম্পিটিশনের মতো সেজে বসে আছে” বলে সমালোচনা করেছেন। তিনি সরকারি প্রোগ্রামে গাড়িতে থাকাকালীন কিছু লোকের “গো ব্যাক” চিৎকারের মুখোমুখি হন এবং হাইকোর্টে চলমান মামলার কারণে তাড়াহুড়োতে ছিলেন।
বাগচী আরও উল্লেখ করেন, তিনি যাদের বিরুদ্ধে কথা বলছেন, তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, চুরি এবং একটি বিজেপি নেতার হত্যার অভিযোগ রয়েছে; “তার হাতে পার্টির নেতার রক্ত লেগে আছে” তিনি বলেন। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, দল তাকে আশ্বস্ত করেছে যে এ ধরনের ঘটনা আর হবে না এবং রাজ্য সভাপতি শমীক বাবু একই কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
অবশেষে বাগচী বলেন, “আমি যা বলি, করে দেখাই। আমার কথাগুলো যুক্তি দিয়ে কেউ খণ্ডন করে দেখাক। রাতে যখন ঘুমাতে যাই, আয়নায় নিজের মুখের দিকে তাকাতে কোনো অসুবিধা হয় না।”
বাগচী বলেন, দলের মধ্যে কথা না শোনালে তিনি বাহিরে গিয়ে কথা বলতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি একবার দলের দপ্তরের বাইরে গিয়ে গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন, তবে তা কোনো ক্ষোভের প্রকাশ নয়; বরং কিছু ব্যক্তি দলের নাম ব্যবহার করে কাজ করছেন, এটাই তিনি উল্লেখ করেছেন।
ব্যারাকপুরে যে পরিস্থিতি ছিল, তা তিনি “কিছু লোক বিজেপি সাজার চেষ্টা করছে, ফ্যান্সি ড্রেস কম্পিটিশনের মতো সেজে বসে আছে” বলে সমালোচনা করেছেন। তিনি সরকারি প্রোগ্রামে গাড়িতে থাকাকালীন কিছু লোকের “গো ব্যাক” চিৎকারের মুখোমুখি হন এবং হাইকোর্টে চলমান মামলার কারণে তাড়াহুড়োতে ছিলেন।
বাগচী আরও উল্লেখ করেন, তিনি যাদের বিরুদ্ধে কথা বলছেন, তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, চুরি এবং একটি বিজেপি নেতার হত্যার অভিযোগ রয়েছে; “তার হাতে পার্টির নেতার রক্ত লেগে আছে” তিনি বলেন। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, দল তাকে আশ্বস্ত করেছে যে এ ধরনের ঘটনা আর হবে না এবং রাজ্য সভাপতি শমীক বাবু একই কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
অবশেষে বাগচী বলেন, “আমি যা বলি, করে দেখাই। আমার কথাগুলো যুক্তি দিয়ে কেউ খণ্ডন করে দেখাক। রাতে যখন ঘুমাতে যাই, আয়নায় নিজের মুখের দিকে তাকাতে কোনো অসুবিধা হয় না।”