स्थानीय
শ্রমিক কর্মসংস্থান, বাজি ফাটানো সীমা, প্লাস্টিক নিষেধাজ্ঞা ও ফুড সেফটি—কোলকাতা ও দিল্লি জেলা শাসকের সমন্বিত উদ্যোগ
জেলা শাসক কর্মসংস্থান, বাজি ফাটানো সময়সীমা, প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধ এবং খাবারের গুণগত মান নিশ্চিত করতে একাধিক পরিকল্পনা ও নির্দেশনা জারি করেছেন।
জেলা শাসক জানিয়েছেন যে পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য কাজের সুযোগ তৈরি করা হবে; যারা আসতে চান তারা বি.ডি.ও., মেম্বার ও এমএলএ-র মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। ইতিমধ্যে ২.৭টি কাজ প্রদান করা হয়েছে এবং আরও কিছু কাজ পাইপলাইনে রয়েছে। বর্তমানে ৩৭৫টি অতিরিক্ত স্কিম চালু রয়েছে, যার মাধ্যমে কাজ করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের নোটিশ প্রদান করা হবে।
আগামী তিন মাসকে চ্যালেঞ্জিং বলে শাসক উল্লেখ করেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পুলিশ স্টেশন ও অন্যান্য হেল্প ফ্যাসিলিটি সমৃদ্ধ এলাকায় স্কুল, ছোট কিচেন ও ডাইনিং হল নির্মাণের কাজ শুরু হবে। গ্রামীণ এলাকা ও ক্যানাল ম্যানেজমেন্টের ব্যবস্থা শক্তিশালী করার পরিকল্পনাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশমতো ৭ ও ৮ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে বাজি ফাটানো শুধুমাত্র সকাল ৬টা থেকে ৭টা এবং রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত অনুমোদিত হবে। হাসপাতাল, প্রাইমারি স্কুলসহ সংবেদনশীল এলাকার ৩০০ মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে বাজি ফাটানো নিষিদ্ধ, এ বিষয়ে দপ্তরের নোটিফিকেশন জারি হয়েছে।
প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধের ক্যাম্পেইন চলমান এবং কিছু স্থানে এখনও প্রতিরোধ দেখা দিচ্ছে। শাসক জোর দিয়ে বলেছেন, কেবল এনফোর্সমেন্ট নয়, বিকল্প প্যাকেজিং সম্পর্কে জনগণকে তথ্য প্রদান করাও জরুরি। পাশাপাশি, আসন্ন পুজোর জন্য জেলা প্রশাসন টার্গেট নির্ধারণ করেছে এবং প্রোটোকল না মানলে ইন্সপেকশন ও সিভিল ইস্যুতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ফুড সেফটি অফিসার জানিয়েছেন যে বিরিয়ানিতে ক্ষতিকারক রং ব্যবহার বাড়ছে; এ বিষয়ে তীব্র এনফোর্সমেন্ট এবং গ্রামীণ ও আরামবাগসহ বিভিন্ন জেলায় টিম পাঠানো হবে। কলকাতা ও হুগলি জেলায় ফুড স্যাম্পল সংগ্রহের জন্য অভিযান চালানো হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত ৫৬টি স্যাম্পল সংগ্রহ করে কলকাতায় পাঠানো হয়েছে। রাজ্যের নির্দেশে প্রতিটি জেলায় আলাদা টেস্টিং ফ্যাসিলিটি স্থাপন করা হবে, যাতে দ্রুত সেবা নিশ্চিত করা যায়।
আগামী তিন মাসকে চ্যালেঞ্জিং বলে শাসক উল্লেখ করেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পুলিশ স্টেশন ও অন্যান্য হেল্প ফ্যাসিলিটি সমৃদ্ধ এলাকায় স্কুল, ছোট কিচেন ও ডাইনিং হল নির্মাণের কাজ শুরু হবে। গ্রামীণ এলাকা ও ক্যানাল ম্যানেজমেন্টের ব্যবস্থা শক্তিশালী করার পরিকল্পনাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশমতো ৭ ও ৮ নভেম্বর ২০২৬ তারিখে বাজি ফাটানো শুধুমাত্র সকাল ৬টা থেকে ৭টা এবং রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত অনুমোদিত হবে। হাসপাতাল, প্রাইমারি স্কুলসহ সংবেদনশীল এলাকার ৩০০ মিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে বাজি ফাটানো নিষিদ্ধ, এ বিষয়ে দপ্তরের নোটিফিকেশন জারি হয়েছে।
প্লাস্টিক ব্যবহার বন্ধের ক্যাম্পেইন চলমান এবং কিছু স্থানে এখনও প্রতিরোধ দেখা দিচ্ছে। শাসক জোর দিয়ে বলেছেন, কেবল এনফোর্সমেন্ট নয়, বিকল্প প্যাকেজিং সম্পর্কে জনগণকে তথ্য প্রদান করাও জরুরি। পাশাপাশি, আসন্ন পুজোর জন্য জেলা প্রশাসন টার্গেট নির্ধারণ করেছে এবং প্রোটোকল না মানলে ইন্সপেকশন ও সিভিল ইস্যুতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ফুড সেফটি অফিসার জানিয়েছেন যে বিরিয়ানিতে ক্ষতিকারক রং ব্যবহার বাড়ছে; এ বিষয়ে তীব্র এনফোর্সমেন্ট এবং গ্রামীণ ও আরামবাগসহ বিভিন্ন জেলায় টিম পাঠানো হবে। কলকাতা ও হুগলি জেলায় ফুড স্যাম্পল সংগ্রহের জন্য অভিযান চালানো হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত ৫৬টি স্যাম্পল সংগ্রহ করে কলকাতায় পাঠানো হয়েছে। রাজ্যের নির্দেশে প্রতিটি জেলায় আলাদা টেস্টিং ফ্যাসিলিটি স্থাপন করা হবে, যাতে দ্রুত সেবা নিশ্চিত করা যায়।