स्थानीय
পুরুলিয়া জেলার প্রতিষ্ঠা দিবসে ইতিহাসের গৌরবময় মুহূর্ত
১ নভেম্বর ১৯৫৬ সালে মানভূম জেলার একাংশ পশ্চিমবঙ্গে যুক্ত হয়ে পুরুলিয়া জেলা প্রতিষ্ঠিত হয়, যা বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির রক্ষায় দীর্ঘ সংগ্রামের প্রতীক।
১ নভেম্বর ১৯৫৬ সালে মানভূম জেলার একাংশ পশ্চিমবঙ্গে যুক্ত হয়ে পুরুলিয়া জেলা প্রতিষ্ঠিত হয়, যা বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির রক্ষায় দীর্ঘ সংগ্রামের প্রতীক।
প্রাচীন ইতিহাসে পুরুলিয়া অঞ্চলটি পঞ্চম শতকের জৈন গ্রন্থ ভগবতী সূত্রে ১৬টি মহাজনপদের একটি হিসেবে উল্লেখিত, এবং বজ্রভূমির অংশ ছিল।
১৮০৫ সালে ব্রিটিশ শাসনকালে গঠিত জঙ্গলমহল জেলা, পরে ১৮৩৩ সালে ভেঙে মানভূম জেলা গঠিত হয়। মানভূমের সদর দপ্তর প্রথমে মানবাজারে ছিল, ১৮৩৮ সালে তা বর্তমান পুরুলিয়া শহরে স্থানান্তরিত হয়।
স্বাধীনতার পর মানভূম বিহারের অন্তর্ভুক্ত থাকলেও বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষার জন্য ভাষা আন্দোলন শুরু হয়। ১৯৫৬ সালের ২০ এপ্রিল পাকবিড়া গ্রাম থেকে ১০০৫ জন আন্দোলনকারী কলকাতার উদ্দেশে পদযাত্রা শুরু করে, যা বাংলা ও বিহারের সংযুক্তিকরণের বিরুদ্ধেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
অযোধ্যা পাহাড়, বামনি ফলস, মুরগুমা, খয়রাবেরা, জয়চণ্ডী পাহাড়, গড় পঞ্চকোট, পাখি পাহাড়, ছৌ নৃত্য, টুসু-ভাদু গান, পলাশের বন ও লাল মাটির দেশ—এই সবই পুরুলিয়ার প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অনন্য বৈশিষ্ট্য।
প্রাচীন ইতিহাসে পুরুলিয়া অঞ্চলটি পঞ্চম শতকের জৈন গ্রন্থ ভগবতী সূত্রে ১৬টি মহাজনপদের একটি হিসেবে উল্লেখিত, এবং বজ্রভূমির অংশ ছিল।
১৮০৫ সালে ব্রিটিশ শাসনকালে গঠিত জঙ্গলমহল জেলা, পরে ১৮৩৩ সালে ভেঙে মানভূম জেলা গঠিত হয়। মানভূমের সদর দপ্তর প্রথমে মানবাজারে ছিল, ১৮৩৮ সালে তা বর্তমান পুরুলিয়া শহরে স্থানান্তরিত হয়।
স্বাধীনতার পর মানভূম বিহারের অন্তর্ভুক্ত থাকলেও বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষার জন্য ভাষা আন্দোলন শুরু হয়। ১৯৫৬ সালের ২০ এপ্রিল পাকবিড়া গ্রাম থেকে ১০০৫ জন আন্দোলনকারী কলকাতার উদ্দেশে পদযাত্রা শুরু করে, যা বাংলা ও বিহারের সংযুক্তিকরণের বিরুদ্ধেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
অযোধ্যা পাহাড়, বামনি ফলস, মুরগুমা, খয়রাবেরা, জয়চণ্ডী পাহাড়, গড় পঞ্চকোট, পাখি পাহাড়, ছৌ নৃত্য, টুসু-ভাদু গান, পলাশের বন ও লাল মাটির দেশ—এই সবই পুরুলিয়ার প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অনন্য বৈশিষ্ট্য।