स्थानीय
পশ্চিমবঙ্গে আশির দশক থেকে রক্তদান আন্দোলন গণ-আন্দোলনে পরিণত হয়েছে: বক্তা
পশ্চিমবঙ্গে আশির দশকের শুরু থেকে রক্তদান আন্দোলন একটি গণ-আন্দোলনে রূপ নিয়েছে। একসময় রক্তদানকে পুণ্যের কাজ মনে করা হলেও, ভয়ের কারণে অনেকেই এতে অংশ নিতে দ্বিধা করতেন।
পশ্চিমবঙ্গে আশির দশকের প্রথম থেকেই রক্তদান আন্দোলন ধীরে ধীরে একটি গণ-আন্দোলনের রূপ নিয়েছে। এক মঞ্চে উপস্থিত বিধায়ক এবং উদ্যোক্তাদের ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তা বলেন, এই আন্দোলন আশির দশক থেকে বাংলায় এক বৃহত্তর সামাজিক আন্দোলনে পরিণত হয়েছে।
বক্তৃতায় উঠে আসে যে, আশির দশকের শুরুতে বা সত্তরের দশকের শেষে রক্তদানকে পুণ্যের কাজ হিসেবে দেখা হলেও, রক্তদাতাদের মধ্যে এক ধরণের ভীতি কাজ করত। বিভিন্ন চলচ্চিত্রে রক্তদানকে এমনভাবে চিত্রিত করা হতো যেন এটি সাধারণ মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়, বরং কোনো অসাধারণ ব্যক্তির কাজ। এই উপস্থাপনা পরোক্ষভাবে মানুষের মনে এক ধরণের শঙ্কা ও ভীতি তৈরি করত।
তবে সময়ের সাথে সাথে মানুষের এই ভয় কাটিয়ে উঠেছে। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের সর্বস্তরে, সুদূর সীমান্তবর্তী গ্রাম থেকে শুরু করে ঝাড়খণ্ডের সীমানা পর্যন্ত এবং উড়িষ্যার মান পর্যন্ত সর্বত্র রক্তদান শিবির আয়োজিত হচ্ছে। রক্তদান শিবিরের ধরনেও পরিবর্তন এসেছে এবং সেখানে প্রাচুর্যের আগমন ঘটেছে।
বক্তৃতায় উঠে আসে যে, আশির দশকের শুরুতে বা সত্তরের দশকের শেষে রক্তদানকে পুণ্যের কাজ হিসেবে দেখা হলেও, রক্তদাতাদের মধ্যে এক ধরণের ভীতি কাজ করত। বিভিন্ন চলচ্চিত্রে রক্তদানকে এমনভাবে চিত্রিত করা হতো যেন এটি সাধারণ মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়, বরং কোনো অসাধারণ ব্যক্তির কাজ। এই উপস্থাপনা পরোক্ষভাবে মানুষের মনে এক ধরণের শঙ্কা ও ভীতি তৈরি করত।
তবে সময়ের সাথে সাথে মানুষের এই ভয় কাটিয়ে উঠেছে। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের সর্বস্তরে, সুদূর সীমান্তবর্তী গ্রাম থেকে শুরু করে ঝাড়খণ্ডের সীমানা পর্যন্ত এবং উড়িষ্যার মান পর্যন্ত সর্বত্র রক্তদান শিবির আয়োজিত হচ্ছে। রক্তদান শিবিরের ধরনেও পরিবর্তন এসেছে এবং সেখানে প্রাচুর্যের আগমন ঘটেছে।