পাত্রসায়েরে শুরু হলো ‘ক্ষেত বাঁচাও অভিযান’, কৃষকদের উৎসাহিত করতে বিশেষ উদ্যোগ
পাত্রসায়েরে শুরু হলো ‘ক্ষেত বাঁচাও অভিযান’, কৃষকদের উৎসাহিত করতে বিশেষ উদ্যোগ
পাত্রসায়েরে শুরু হলো ‘ক্ষেত বাঁচাও অভিযান’, কৃষকদের উৎসাহিত করতে বিশেষ উদ্যোগ
নিজস্ব সংবাদদাতা, পাত্রসায়ের:
পশ্চিমবঙ্গ সরকার কৃষি বিভাগের উদ্যোগে রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে সচেতনতামূলক কর্মসূচি ‘ক্ষেত বাঁচাও অভিযান’। বাঁকুড়া জেলার পাত্রসায়েরা ব্লকের পান্ডুয়া গ্রামে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। সম্পূর্ণ রাজ্যজুড়ে এই বিশেষ অভিযানটি ২২ শে অক্টোবর থেকে ৩০ শে নভেম্বর পর্যন্ত চালানো হবে।
পান্ডুয়া গ্রামের এই কর্মসূচিটি সফলভাবে আয়োজন করে ‘আনন্দ কৃষি ফার্মার্স প্রডিউসার কোম্পানি লিমিটেড’। এতে সার্বিক সহায়তা ও দিকনির্দেশনা দেন পাত্রসায়ের ব্লকের কৃষি আধিকারিক ও ব্লকের প্রতিনিধিরা।
এইদিনের সচেতনতা শিবিরে এলাকার প্রায় ৩০ জন কৃষক সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। শিবিরের মূল উদ্দেশ্য ছিল কৃষকদের মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা, সুসংহত সার ও কীটনাশকের সঠিক প্রয়োগ, কৃষি যান্ত্রিকীকরণ এবং ডাল ও তৈলবীজ চাষের এলাকা সম্প্রসারণ বিষয়ে সচেতন করা।
পাশাপাশি, কৃষকদের সরকারি সুযোগ-সুবিধা সহজে পৌঁছে দিতে এবং আধুনিক প্রযুক্তির সাথে যুক্ত করতে ‘এগ্রিস্ট্যাক’ (AgriStack) ও ‘পি এম কিষাণ’ প্রকল্পে চাষিদের নাম রেজিস্ট্রেশন ও প্রাসঙ্গিক আলোচনা করা হয়। আনন্দ কৃষি ফার্মার্স প্রডিউসার কোম্পানির বাপক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এগ্রিস্ট্যাকে চাষিদের নাম নথিভুক্তকরণের কাজ পুরোদমে চলছে।
ব্লক কৃষি দপ্তরের এই সময়োপযোগী পদক্ষেযেপে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে। এর ফলে আগামী দিনে এলাকার কৃষি ও কৃষকদের সার্বিক উন্নতি ঘটবে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন আয়োজকরা।
নিজস্ব সংবাদদাতা, পাত্রসায়ের:
পশ্চিমবঙ্গ সরকার কৃষি বিভাগের উদ্যোগে রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে সচেতনতামূলক কর্মসূচি ‘ক্ষেত বাঁচাও অভিযান’। বাঁকুড়া জেলার পাত্রসায়েরা ব্লকের পান্ডুয়া গ্রামে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। সম্পূর্ণ রাজ্যজুড়ে এই বিশেষ অভিযানটি ২২ শে অক্টোবর থেকে ৩০ শে নভেম্বর পর্যন্ত চালানো হবে।
পান্ডুয়া গ্রামের এই কর্মসূচিটি সফলভাবে আয়োজন করে ‘আনন্দ কৃষি ফার্মার্স প্রডিউসার কোম্পানি লিমিটেড’। এতে সার্বিক সহায়তা ও দিকনির্দেশনা দেন পাত্রসায়ের ব্লকের কৃষি আধিকারিক ও ব্লকের প্রতিনিধিরা।
এইদিনের সচেতনতা শিবিরে এলাকার প্রায় ৩০ জন কৃষক সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। শিবিরের মূল উদ্দেশ্য ছিল কৃষকদের মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা, সুসংহত সার ও কীটনাশকের সঠিক প্রয়োগ, কৃষি যান্ত্রিকীকরণ এবং ডাল ও তৈলবীজ চাষের এলাকা সম্প্রসারণ বিষয়ে সচেতন করা।
পাশাপাশি, কৃষকদের সরকারি সুযোগ-সুবিধা সহজে পৌঁছে দিতে এবং আধুনিক প্রযুক্তির সাথে যুক্ত করতে ‘এগ্রিস্ট্যাক’ (AgriStack) ও ‘পি এম কিষাণ’ প্রকল্পে চাষিদের নাম রেজিস্ট্রেশন ও প্রাসঙ্গিক আলোচনা করা হয়। আনন্দ কৃষি ফার্মার্স প্রডিউসার কোম্পানির বাপক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এগ্রিস্ট্যাকে চাষিদের নাম নথিভুক্তকরণের কাজ পুরোদমে চলছে।
ব্লক কৃষি দপ্তরের এই সময়োপযোগী পদক্ষেযেপে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে। এর ফলে আগামী দিনে এলাকার কৃষি ও কৃষকদের সার্বিক উন্নতি ঘটবে বলে আশাপ্রকাশ করেছেন আয়োজকরা।