নারায়ান কুরি চৌধুরীদের বাড়ির প্রায় 260 বছরের পুরানো পুজো এবার মেয়েদের পরিচালনায়।
নারায়ান কুরি চৌধুরীদের বাড়ির প্রায় 260 বছরের পুরানো পুজো এবার মেয়েদের পরিচালনায়।
রানিগঞ্জ :- নারানকুরি চৌধুরী দের দুর্গা পুজো এই বছর 260 বছরে পড়লো। এই বাড়ির মা সিংহবাহিনী। কথিত আছে লাও সেন চৌধুরী প্রথম 260 বছর আগে এই পুজো প্রতিষ্ঠা করেন।ঠাকুরের একচালা মূর্তি
বৈষ্ণব মতে এই পুজো হয়। বছর বছর ধরে পুরুষ রাই এই পুজো করে আসছেন।ষষ্টির দিন বোধন দিয়ে মায়ের অধিবাস শুরু তারপর যথাক্রমে সপ্তমি-দশমি পুজোর পালন অতি নিষ্ঠা ও ভক্তি ভোরে করে আসছেন প্রতি বছর । দশমীর দিন বিসর্জন ই নিয়ম বিসর্জন এর জন্য পারিবারিক পুকুর আছে একাদশী তেই কাঠামো আবার ফিরিয়ে আনা হয় মন্দির দালানে । আগে বিষ্ণুপুরি ঘরানা তে মন্দির ছিলো পরে সংস্কার করে আধুনিক করে তোলা হয়েছে। রথযাত্রার দিন রীতিমতো প্রথা মেনে মাটি দয়া হয়। নিষ্ঠা ভরে এই পুজো হয়ে আসছে।
এই পরিবারের প্রায় 70 জন সদস্য
কিন্তু এই বছর এক অঘঠনের কারনে এই পুজোতে বংশের পুরুষদের প্রবেশ ব্রাত্য ।তাই বিশেষ অনুরোধে বাড়ির মেয়েরা এবার এগিয়ে এসেছে । সাথে জামাই ও ভাগ্নে রাও ।এই বাড়ির সমস্ত সদস্য একসাথে এই পুজোর কটা দিন একসাথেই খাওয়া দাওয়া হয়। সাথে সন্ধ্যে তে থাকে নানান অনুষ্ঠান। পরিবারের সদস্য রা বিভিন্ন জায়গায় জীবিকার প্রয়োজনে থাকলেও পুজোর কটাদিন একসাথে থাকতে চাই।বেশ হই হুল্লোড় করেই কেটে যায় কটা দিন।দশমীতে মায়ের বিদায়ের পর বিষাদের সুর সকালে কলা বৌ এর বিসর্জন এর পর প্রণাম পর্ব।
সন্ধ্যাকালে ঢাকের তালে নাচের পর মায়ের মূর্তি বিসর্জন
পরিবারের সাথেই সবাই বলে ওঠে আবার এস মাগো।।
বৈষ্ণব মতে এই পুজো হয়। বছর বছর ধরে পুরুষ রাই এই পুজো করে আসছেন।ষষ্টির দিন বোধন দিয়ে মায়ের অধিবাস শুরু তারপর যথাক্রমে সপ্তমি-দশমি পুজোর পালন অতি নিষ্ঠা ও ভক্তি ভোরে করে আসছেন প্রতি বছর । দশমীর দিন বিসর্জন ই নিয়ম বিসর্জন এর জন্য পারিবারিক পুকুর আছে একাদশী তেই কাঠামো আবার ফিরিয়ে আনা হয় মন্দির দালানে । আগে বিষ্ণুপুরি ঘরানা তে মন্দির ছিলো পরে সংস্কার করে আধুনিক করে তোলা হয়েছে। রথযাত্রার দিন রীতিমতো প্রথা মেনে মাটি দয়া হয়। নিষ্ঠা ভরে এই পুজো হয়ে আসছে।
এই পরিবারের প্রায় 70 জন সদস্য
কিন্তু এই বছর এক অঘঠনের কারনে এই পুজোতে বংশের পুরুষদের প্রবেশ ব্রাত্য ।তাই বিশেষ অনুরোধে বাড়ির মেয়েরা এবার এগিয়ে এসেছে । সাথে জামাই ও ভাগ্নে রাও ।এই বাড়ির সমস্ত সদস্য একসাথে এই পুজোর কটা দিন একসাথেই খাওয়া দাওয়া হয়। সাথে সন্ধ্যে তে থাকে নানান অনুষ্ঠান। পরিবারের সদস্য রা বিভিন্ন জায়গায় জীবিকার প্রয়োজনে থাকলেও পুজোর কটাদিন একসাথে থাকতে চাই।বেশ হই হুল্লোড় করেই কেটে যায় কটা দিন।দশমীতে মায়ের বিদায়ের পর বিষাদের সুর সকালে কলা বৌ এর বিসর্জন এর পর প্রণাম পর্ব।
সন্ধ্যাকালে ঢাকের তালে নাচের পর মায়ের মূর্তি বিসর্জন
পরিবারের সাথেই সবাই বলে ওঠে আবার এস মাগো।।