মদনপল্লীতে নরবলির ছায়া, উচ্চশিক্ষিত বাবা-মায়ের হাতে খুন দুই মেয়ে
মদনপল্লীতে নরবলির ছায়া, উচ্চশিক্ষিত বাবা-মায়ের হাতে খুন দুই মেয়ে
জানুয়ারি 24 সাল 2021
মদনপল্লী, অন্ধ্রপ্রদেশ:
অন্ধ্রপ্রদেশের মদনপল্লীতে এক হৃদয়বিদারক ও চাঞ্চল্যকর ঘটনা। কুসংস্কার ও তন্ত্রসাধনার বশবর্তী হয়ে নিজের দুই অবিবাহিতা মেয়েকে নৃশংসভাবে খুন করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হলো এক দম্পতিকে।
ঘটনার বিবরণ:
অভিযুক্তরা হলেন পুরুষোত্তম নাইডু (৫৫) ও তাঁর স্ত্রী পদ্মজা (৫০)। নিহতরা হলেন তাঁদের দুই মেয়ে - আলেখ্য (২৭) ও সাই দিব্যা (২২)। পুলিশ জানিয়েছে, গত রবিবার দুপুরে প্রথমে ছোট মেয়ে সাই দিব্যাকে ডাম্বেল ও ত্রিশূল দিয়ে আঘাত করে খুন করা হয়। কয়েক ঘণ্টা পর সন্ধ্যায় বড় মেয়ে আলেখ্যকেও একই ভাবে খুন করা হয়।
পুলিশের বক্তব্য:
ডিএসপি এ. রবি মনোহর আচারি জানান, প্রাথমিক তদন্তে দম্পতির জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। দম্পতির দাবি, তাঁদের মেয়েরা গত এক সপ্তাহ ধরে অসুস্থ ছিল, শ্বাসকষ্ট ও বাড়িতে অশরীরী ছায়া দেখার কথা বলছিল। ছোট মেয়ে নাকি মাকে তাকে মেরে ফেলতে বাধ্য করে, না হলে আত্মহত্যার হুমকি দেয়। এরপর বড় মেয়ে দাবি করে, তার মৃত্যু হলে তার বোন পুনর্জীবিত হবে। এই বিশ্বাস থেকেই এই জোড়া খুন।
পুলিশ বাড়ির আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেছে এবং বাইরের কারও জড়িত থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারের পর নাটকীয়তা:
বাড়ি থেকে গ্রেপ্তারের সময় উত্তেজিত জনতাকে সামলাতে হয় পুলিশকে। গ্রেপ্তারের পর কোভিড টেস্টের জন্য নিয়ে যাওয়ার সময় পদ্মজা চিৎকার করে বলতে থাকেন, "আমি ভগবান শিব। শিব এসে গেছে। কাজ শেষ। আমিই করোনা তৈরি করেছি, আমিই করোনা।
তবে তাঁর স্বামী পুলিশকে সহযোগিতা করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারের চারজনই উচ্চশিক্ষিত এবং তাঁদের কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে। উচ্চশিক্ষা সত্ত্বেও কিভাবে তাঁরা এমন অন্ধ কুসংস্কারে জড়ালেন, তা নিয়ে আজও তদন্ত চলছে।....
শুধুমাত্র পুঁথিগত শিক্ষা নয় শিক্ষা কুসংস্কার মুক্ত হতে হবে এই ঘটনা তারই প্রমান
মদনপল্লী, অন্ধ্রপ্রদেশ:
অন্ধ্রপ্রদেশের মদনপল্লীতে এক হৃদয়বিদারক ও চাঞ্চল্যকর ঘটনা। কুসংস্কার ও তন্ত্রসাধনার বশবর্তী হয়ে নিজের দুই অবিবাহিতা মেয়েকে নৃশংসভাবে খুন করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হলো এক দম্পতিকে।
ঘটনার বিবরণ:
অভিযুক্তরা হলেন পুরুষোত্তম নাইডু (৫৫) ও তাঁর স্ত্রী পদ্মজা (৫০)। নিহতরা হলেন তাঁদের দুই মেয়ে - আলেখ্য (২৭) ও সাই দিব্যা (২২)। পুলিশ জানিয়েছে, গত রবিবার দুপুরে প্রথমে ছোট মেয়ে সাই দিব্যাকে ডাম্বেল ও ত্রিশূল দিয়ে আঘাত করে খুন করা হয়। কয়েক ঘণ্টা পর সন্ধ্যায় বড় মেয়ে আলেখ্যকেও একই ভাবে খুন করা হয়।
পুলিশের বক্তব্য:
ডিএসপি এ. রবি মনোহর আচারি জানান, প্রাথমিক তদন্তে দম্পতির জড়িত থাকার প্রমাণ মিলেছে। দম্পতির দাবি, তাঁদের মেয়েরা গত এক সপ্তাহ ধরে অসুস্থ ছিল, শ্বাসকষ্ট ও বাড়িতে অশরীরী ছায়া দেখার কথা বলছিল। ছোট মেয়ে নাকি মাকে তাকে মেরে ফেলতে বাধ্য করে, না হলে আত্মহত্যার হুমকি দেয়। এরপর বড় মেয়ে দাবি করে, তার মৃত্যু হলে তার বোন পুনর্জীবিত হবে। এই বিশ্বাস থেকেই এই জোড়া খুন।
পুলিশ বাড়ির আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেছে এবং বাইরের কারও জড়িত থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারের পর নাটকীয়তা:
বাড়ি থেকে গ্রেপ্তারের সময় উত্তেজিত জনতাকে সামলাতে হয় পুলিশকে। গ্রেপ্তারের পর কোভিড টেস্টের জন্য নিয়ে যাওয়ার সময় পদ্মজা চিৎকার করে বলতে থাকেন, "আমি ভগবান শিব। শিব এসে গেছে। কাজ শেষ। আমিই করোনা তৈরি করেছি, আমিই করোনা।
তবে তাঁর স্বামী পুলিশকে সহযোগিতা করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারের চারজনই উচ্চশিক্ষিত এবং তাঁদের কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে। উচ্চশিক্ষা সত্ত্বেও কিভাবে তাঁরা এমন অন্ধ কুসংস্কারে জড়ালেন, তা নিয়ে আজও তদন্ত চলছে।....
শুধুমাত্র পুঁথিগত শিক্ষা নয় শিক্ষা কুসংস্কার মুক্ত হতে হবে এই ঘটনা তারই প্রমান