🔥 TRENDING Rajasthan Board Publishes 2026 Half‑Ye... ભુજ: સમાજ કલ્યાણ કચેરીના બે નિરીક્ષકો... Mad sandu de goliya marke kita katal Big news રાજકોટ: આજી ડેમ ચોકડી પાસે TRP જવાનો પ... राजापुर जलालपुर के उच्च माध्यमिक विद्य...
04 Oct 2026•
ગુજરાતી मराठी ਪੰਜਾਬੀ বাংলা
Religion

চিল্কিগড়ের কনক দুর্গা: ৫০০ বছরের অলৌকিক কাহিনি, স্বয়ং দেবী রাঁধেন ভোগ

✍️ Reporter: Snehasish Nayek 🗓 04 Oct 2026, 12:17 AM 👁 61
Share: 💬 WhatsApp 📘 Facebook 𝕏 Post

ঝাড়গ্রামের গভীর জঙ্গলে অবস্থিত চিল্কিগড়ের কনক দুর্গা মন্দির ৫০০ বছরের পুরনো এক অলৌকিক বিশ্বাসের পীঠস্থান। কথিত আছে, মহাষ্টমীর রাতে স্বয়ং দেবী ভক্তদের জন্য ভোগ রান্না করেন।

ঘন শাল-সেগুনের জঙ্গল আর ডুলুং নদীর ঠান্ডা বাতাসের মাঝে ঝাড়গ্রামের চিল্কিগড় এক রহস্যময় স্থান। এই গভীর অরণ্যে মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছেন কনক দুর্গা। এই মন্দির শুধু ইতিহাসের সাক্ষী নয়, এক অলৌকিক বিশ্বাসের কেন্দ্র। সাধারণ গৃহবধূরা যেমন সংসার ও রান্না সামলান, তেমনই চিল্কিগড়ের ভক্তদের কাছে এটি ধ্রুব সত্য যে স্বয়ং দেবী কনক দুর্গা ভক্তদের জন্য ভোগ রান্না করেন।
প্রায় ৫০০ বছর আগে, যখন এই অঞ্চলের নাম ছিল তিহার দ্বীপগড়, তখন সামন্ত রাজা গোপীনাথ সিংহ এক দৈব স্বপ্নাদেশ পান। দেবীর নির্দেশে তিনি মন্দির নির্মাণ শুরু করেন। রানির সোনার কাঁকন ও কয়েকশো সের সোনা গলিয়ে তৈরি হয় দেবীর মূর্তি, যার নাম হয় কনক দুর্গা। এই চতুর্ভুজা মূর্তিটি অশ্বারোহিণী রূপে পূজিত হন, যা সচরাচর দেখা যায় না।
সবচেয়ে বড় অলৌকিক ঘটনাটি ঘটে মহাষ্টমীর রাতে, যখন পালিত হয় ‘বিরাম ভোগ’ আচার। চাল, বলির মাংস ও নানা উপকরণ দিয়ে তৈরি ভোগ একটি নতুন মাটির হাঁড়িতে ভরে চুলোয় বসানো হয় এবং সামান্য কাঠ জ্বালানো হয়। এরপর মন্দিরের ঘর বাইরে থেকে তালাবন্ধ করে দেওয়া হয় এবং সারারাত সেখানে কারও প্রবেশ নিষেধ থাকে। নিশ্ছিদ্র পাহারায় থাকা চিল্কিগড়ে ভোরবেলা দরজা খুললে দেখা যায়, হাঁড়ির ভেতরের ভোগ সম্পূর্ণ তৈরি এবং ধোঁয়া উঠছে। কোনও রাঁধুনি বা পুরোহিত সেখানে উপস্থিত না থাকলেও এই রান্না দেবীর ঐশ্বরিক লীলা বলেই ভক্তরা বিশ্বাস করেন।
বিজ্ঞান হয়তো এর পেছনে তাপ ধরে রাখার মতো যুক্তি দেখাবে, কিন্তু এই প্রাচীন ঐতিহ্য ও প্রকৃতির কোলে ঘেরা মন্দির আজও এক মায়াপুরীর মতো। শালবনের নির্জনতায় ডুলুং নদীর স্রোত আজও যেন সেই অলৌকিক গল্পই বলে চলে।
📲Get App