অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ, কেওয়াইসির জন্য অভিষেকের বাড়িতেই ব্যাঙ্ককর্মী! প্রশ্ন হাই কোর্টের
Watch on:
▶️ YouTube
অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় কলকাতা হাই কোর্টে বৃহস্পতিবার তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়ল সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ক। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে বলে তাঁর আইনজীবী আদালতে জানান।
অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হয়ে যাওয়ার ঘটনায় কলকাতা হাই কোর্টে বৃহস্পতিবার তীব্র ভর্ৎসনার মুখে পড়ল সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ক। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা হয়েছে বলে তাঁর আইনজীবী আদালতে জানান। একই সঙ্গে দু’টি ক্রেডিট কার্ডও ব্লক করা হয়েছে। অথচ এ বিষয়ে অভিষেককে আগে থেকে কিছু জানানো হয়নি বলে অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে কেওয়াইসি করানোর জন্য কেন তাঁকেই ব্যাঙ্কে যেতে হবে, সেই প্রশ্নই তুলেছে আদালত।
বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের এজলাসে মামলাটির শুনানি হয়। ব্যাঙ্কের তরফে আদালতকে জানানো হয়, অভিষেকের কেওয়াইসি অনলাইনে করা সম্ভব নয়। কারণ তাঁর অ্যাকাউন্ট বর্তমানে ফ্রিজ রয়েছে। তাই অফলাইনেই কেওয়াইসি সম্পূর্ণ করতে হবে। তবে এর জন্য অভিষেককে ব্যাঙ্কে গিয়ে হাজির হতে হবে না। ব্যাঙ্কের এক কর্মী তাঁর বাড়িতে গিয়ে প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ করবেন এবং তাঁর স্বাক্ষর নিয়ে আসবেন বলে আদালতকে জানানো হয়।
কেওয়াইসির জন্য কী কী নথি প্রয়োজন, তাও আদালতে জানিয়েছে ব্যাঙ্ক। আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, প্যান কার্ড, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স-সহ প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে হবে। বিচারপতি জানান, অভিষেক ওই নথি দেবেন এবং ব্যাঙ্কের কর্মী তাঁর বাড়িতে গিয়ে কেওয়াইসির আনুষ্ঠানিকতা সম্পূর্ণ করবেন। তার পরেই অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা এবং ক্রেডিট কার্ড চালু করার বিষয়টি আদালত বিবেচনা করবে।
তবে অভিষেকের আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য এই প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, কেওয়াইসি করার প্রয়োজন কেন এখনই তৈরি হল, সেটিই স্পষ্ট নয়। তিনি আদালতে প্রশ্ন করেন, ‘এখনই কেন আমি নথি দেব? এখন কেন কেওয়াইসি করানো দরকার? ব্যাঙ্ক আগে থেকে না জানিয়ে অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ কেন করল?’
এই শুনানির সময়ই ব্যাঙ্কের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে আদালত। বিচারপতি কৃষ্ণ রাও জানতে চান, অভিষেককে কেন ব্যাঙ্কে গিয়ে কেওয়াইসি করাতে হবে। তাঁর মন্তব্য, ‘ব্যাঙ্ক কি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ দেখতে চাইছে?’ আদালতের এই মন্তব্যের পরই স্পষ্ট হয়ে যায়, কেওয়াইসির জন্য গ্রাহককে ব্যাঙ্কে হাজির করানোর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিচারপতি সন্তুষ্ট নন।
অভিষেকের আইনজীবী আদালতকে আরও জানান, তাঁর মক্কেলের কেওয়াইসি ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাসে শেষ হওয়ার কথা। তা সত্ত্বেও কোনও আগাম নোটিস ছাড়াই অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ় এবং ক্রেডিট কার্ড ব্লক করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সোমবারই ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ় করার বিষয়টি নিয়ে বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন অভিষেকের আইনজীবী। বৃহস্পতিবার শুনানির শুরুতেই বিষয়টি ফের আদালতে তোলা হয়।
এ দিন আদালত জানায়, অভিষেকের বাড়িতে ব্যাঙ্কের কর্মী গিয়ে কেওয়াইসির প্রয়োজনীয় নথি এবং স্বাক্ষর সংগ্রহ করবেন। সেই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরে অ্যাকাউন্ট এবং ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে আদালত সিদ্ধান্ত নেবে। তবে অভিষেকের আইনজীবী জানান, আগামী সপ্তাহে তাঁর মক্কেল বিদেশে যাবেন। ফলে সময়ের বিষয়টিও মামলায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী সোমবার।
অর্থাৎ, আপাতত কেওয়াইসির জন্য অভিষেককে ব্যাঙ্কে যেতে হচ্ছে না। বরং আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ব্যাঙ্কের কর্মীকেই তাঁর বাড়িতে গিয়ে প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ ও স্বাক্ষর করিয়ে আনতে হবে। তার পরেই তাঁর ফ্রিজ় হওয়া অ্যাকাউন্ট এবং ব্লক হয়ে থাকা দু’টি ক্রেডিট কার্ড নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত হবে।
বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের এজলাসে মামলাটির শুনানি হয়। ব্যাঙ্কের তরফে আদালতকে জানানো হয়, অভিষেকের কেওয়াইসি অনলাইনে করা সম্ভব নয়। কারণ তাঁর অ্যাকাউন্ট বর্তমানে ফ্রিজ রয়েছে। তাই অফলাইনেই কেওয়াইসি সম্পূর্ণ করতে হবে। তবে এর জন্য অভিষেককে ব্যাঙ্কে গিয়ে হাজির হতে হবে না। ব্যাঙ্কের এক কর্মী তাঁর বাড়িতে গিয়ে প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ করবেন এবং তাঁর স্বাক্ষর নিয়ে আসবেন বলে আদালতকে জানানো হয়।
কেওয়াইসির জন্য কী কী নথি প্রয়োজন, তাও আদালতে জানিয়েছে ব্যাঙ্ক। আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, প্যান কার্ড, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স-সহ প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে হবে। বিচারপতি জানান, অভিষেক ওই নথি দেবেন এবং ব্যাঙ্কের কর্মী তাঁর বাড়িতে গিয়ে কেওয়াইসির আনুষ্ঠানিকতা সম্পূর্ণ করবেন। তার পরেই অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করা এবং ক্রেডিট কার্ড চালু করার বিষয়টি আদালত বিবেচনা করবে।
তবে অভিষেকের আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য এই প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, কেওয়াইসি করার প্রয়োজন কেন এখনই তৈরি হল, সেটিই স্পষ্ট নয়। তিনি আদালতে প্রশ্ন করেন, ‘এখনই কেন আমি নথি দেব? এখন কেন কেওয়াইসি করানো দরকার? ব্যাঙ্ক আগে থেকে না জানিয়ে অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ কেন করল?’
এই শুনানির সময়ই ব্যাঙ্কের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে আদালত। বিচারপতি কৃষ্ণ রাও জানতে চান, অভিষেককে কেন ব্যাঙ্কে গিয়ে কেওয়াইসি করাতে হবে। তাঁর মন্তব্য, ‘ব্যাঙ্ক কি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ দেখতে চাইছে?’ আদালতের এই মন্তব্যের পরই স্পষ্ট হয়ে যায়, কেওয়াইসির জন্য গ্রাহককে ব্যাঙ্কে হাজির করানোর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিচারপতি সন্তুষ্ট নন।
অভিষেকের আইনজীবী আদালতকে আরও জানান, তাঁর মক্কেলের কেওয়াইসি ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাসে শেষ হওয়ার কথা। তা সত্ত্বেও কোনও আগাম নোটিস ছাড়াই অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ় এবং ক্রেডিট কার্ড ব্লক করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সোমবারই ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ় করার বিষয়টি নিয়ে বিচারপতি কৃষ্ণ রাওয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন অভিষেকের আইনজীবী। বৃহস্পতিবার শুনানির শুরুতেই বিষয়টি ফের আদালতে তোলা হয়।
এ দিন আদালত জানায়, অভিষেকের বাড়িতে ব্যাঙ্কের কর্মী গিয়ে কেওয়াইসির প্রয়োজনীয় নথি এবং স্বাক্ষর সংগ্রহ করবেন। সেই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরে অ্যাকাউন্ট এবং ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে আদালত সিদ্ধান্ত নেবে। তবে অভিষেকের আইনজীবী জানান, আগামী সপ্তাহে তাঁর মক্কেল বিদেশে যাবেন। ফলে সময়ের বিষয়টিও মামলায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী সোমবার।
অর্থাৎ, আপাতত কেওয়াইসির জন্য অভিষেককে ব্যাঙ্কে যেতে হচ্ছে না। বরং আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ব্যাঙ্কের কর্মীকেই তাঁর বাড়িতে গিয়ে প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ ও স্বাক্ষর করিয়ে আনতে হবে। তার পরেই তাঁর ফ্রিজ় হওয়া অ্যাকাউন্ট এবং ব্লক হয়ে থাকা দু’টি ক্রেডিট কার্ড নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত হবে।